Breaking News

মোল্লাহাটে কোরবানীর গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারী ও ব্যবসায়ীরা

বাগেরহাট(মোল্লাহাট) প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এবার কোরবানীর গরু বিক্রি ও দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরুর খামারী ও ব্যবসায়ীরা। করোনায় যখন গোটা দেশ থমকে যাচ্ছে তখন কোরবানীর পশু বিক্রি বা দাম সঠিক ভাবে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন মোল্লাহাটের ১৫ শত ১৮ টি গরু লালন পালন কারী খামারীরা। এছাড়া যারা বাড়িতে বেশী দামের আশায় গরু লালন পালন করছেন তারা গরু বিক্রি করতে পারবে কিনা অথবা সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে হতাশায় ভুগছেন।
এবারের কোরবানীতে অন্যান্য বারের চেয়ে একটু বেশী দাম পেয়ে কোরবানীর গরু বিক্রি করে অধিক মুনাফার আশায় মোল্লাহাট উপজেলায় ৪ হাজার ৫ শত ৫৫টি গরু ও ছাগল লালন পালন করছেন ১৫ শত ১৮ টি খামারী ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু করোনার কারনে এবার কোরবানিতে গরু বিক্রি করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন খামারী ও ব্যবসায়ীরা, একদিকে গরু বিক্রি আর অন্য দিকে সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে চিন্তিত গরুর খামারী ও গৃহস্থ পরিবার।
তারা মনে করছেন অধিক মুনাফা লাভের আশায় যে গরু তারা লালন পালন করেছেন তারা তার সঠিক দাম না পেলে অনেক ব্যবসায়ীরই পথে বসতে হবে। আর অল্প আয়ের পরিবারের যারা অধিক মুনাফা পাবার আশায় গরু লালন পালন করছে এবার কোরবানিতে গরুর সঠিক দাম না পেলে নাভিশ্বাস উঠবে তাদেরও। করোনার এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কোরবানির গরু ব্যবসায়ী ও লালন পালনকারী পরিবার গুলো যাতে করে সঠিক দাম পায় সেদিকে সরকারের সাহায্য চান তারা। তারা আরো বলেন মোল্লাহাটের একমাত্র বড় উদয়পুর গরুর হাটটি যদি স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রশাসন যদি খুলে দেয় তাহলে আমাদের গরু গুলো বিক্রিয় করতে পারবো।
উপজেলার কুলিয়া গ্রামের খামারী মুসফিক মোল্লার সাথে কথা হলে তিনি বলেন- এ বছর আমার খামারে ১০ টা গরু আছে। কিন্তু করোনার কারনে কোন ক্রেতা আসছেনা আবার খাবারের দাম ও খুব বেশী একটা গরু প্রস্তুত করতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এমত অবস্থায় যদি গরু বিক্রি করতে না পারি তাহলে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবো এবং বিভিন্ন এনজিওর ঋন পরিশোধ করতে অনেক কষ্ট হবে।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল বলেন- বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা গরু রিষ্ট পিষ্ট করনে বিখ্যাত। গত বছরের এই গরু রিষ্ট পিষ্ট করনের জরিপ অনুযায়ী গরু ছিল ৮ হাজার ৬ শত ৫০টি এবার সেই সংখ্যা প্রায় অর্ধেক ৪ হাজার ৫ শত ৫৫ টি। খামারীদের অতিরিক্ত দামে দানাদার খাদ্য ক্রয় করতে হয়েছে। গরু যখন বিক্রির সময় হয়েছে ঠিক তারা সেই সময়ই হতাশয় ভুগছে তারা গুরুর ন্যায়্য দাম পাবে কিনা । এসময় যদি স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে উপজেলার বড় উদয়পুর গরুর হাটটি যদি খুলে দেয় তাহলে খামারী ও ব্যবসায়ীরা তাদের গরু গুলো ন্যায্য দামে বিক্রি করে উপকৃত হবেন।

Check Also

কোটালীপাড়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *